গলা ব্যথা ও হাঁচি-সহ উপসর্গগুলিতে চিকিৎসকের পরামর্শ
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : আবহাওয়া বদলে গেলেই গলা ব্যথা ও হাঁচি প্রভৃতি উপসর্গগুলি দেখা যায়। সর্দিতে নাক বন্ধ হয়েও যেতে পারে। চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের নাকের পেছন দিকে চোখ, গাল ও কপালের কিছু অংশ জুড়ে থাকা ফাঁপা অংশের নামই সাইনাস। ঠান্ডা লেগে বা সংক্রমণ অথবা অ্যালার্জির কারণে সাইনাসের আবরণ মিউকোসা ফুলে যেতে পারে। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, মিউকাস বা সর্দি বেরোয় বলে নাক আটকে যায়, মাথা ব্যথা করে।
চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ক্রনিক সাইনাস থাকলে বার বার এরকম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে সাময়িক স্বস্তি হলেও কোনও লাভ হয় না। তাই এই ধরনের অসুখের ক্ষেত্রে এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে রোগ সারানো হয়ে থাকে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, অনেক শিশু-কিশোররা হাঁ করে ঘুমোয়, আবার অনেকেই নাক ডাকে। পড়াশোনায় অমনযোগী হয়ে পড়ে ও খিটখিটে হয়ে যায়।
চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞদের এক্ষেত্রে বক্তব্য, ছোটদের অ্যাডিনয়েভ গ্ল্যান্ড বড় হলে এই উপসর্গগুলি দেখা যেতে পারে। অ্যাডিনোটন্সিলেক্টমি নামক সার্জারির সাহায্যে আগে চিকিৎসা করা হত। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, এটি প্রচলিত সার্জারি নয়। নাক দিয়ে এন্ডোস্কোপ এর সাহায্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কোবলেশনের সাহায্যে বেড়ে ওঠা অ্যাডিনয়েভ বাদ দেওয়া হয়। কাটাকুটি করা হয় না। সার্জারির পরই বাচ্চারা হাঁটাচলা করতে পারে। অল্প দিনেই সম্পূর্ণ সেরে যায়। করোনা আবহের পরিস্থিতিতে নাক-কান গলার সমস্যা ফেলে রাখা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। অসুখ পুষে রেখে বিপদ বাড়ানোও উচিত নয়।

